নির্বাহী সারসংক্ষেপের ২৬টি ছক, এনার্জি ব্যালান্স, সিস্টেম লস, রাজস্ব ও বকেয়া — সবই কোর বিলিংয়ের একই ডাটাবেজ থেকে পড়া হয়। এখানে কেউ তথ্য বদলাতে পারেন না, কেবল দেখা ও প্রেরণ করা যায়।
সব ছক একই ডাটাবেজ থেকে পড়া হয়, তাই বিলিং, রাজস্ব ও এমআইএসের সংখ্যা আর আলাদা হয় না। পরের মাসের ১১ তারিখে নির্বাহী সারসংক্ষেপ নিজে থেকেই প্রেরিত হয়।
প্রতিবেদন তৈরির কাজ এখন বিলিং দপ্তরের ঘাড়ে — প্রতি মাসে হাতে হাতে ছক বানাতে হয়।
১৪টি সার্কেল ও ৪টি অঞ্চল থেকে আলাদা করে তথ্য চেয়ে এনে হাতে যোগ করে নির্বাহী সারসংক্ষেপ বানাতে হয়। পরের মাসের ১১ তারিখের সময়সীমা প্রায়ই রক্ষা করা যায় না।
বিলিং শাখার হিসাব, রাজস্ব শাখার হিসাব ও এমআইএসের ছকে একই মাসের সংখ্যা ভিন্ন হয়ে যায়, কারণ প্রত্যেকে নিজের মতো করে হিসাব রাখেন।
যিনি বিল তৈরি করেন তাঁর প্রতিবেদনের ছক দরকার নেই, আর যিনি প্রতিবেদন দেখেন তাঁর বিল সংশোধনের অধিকার থাকা উচিত নয়।
কোন ছক কবে কাকে পাঠানো হয়েছিল, কে অনুমোদন দিয়েছিলেন — কাগুজে ব্যবস্থায় তা পরে খুঁজে বের করা কঠিন।
ক্লিক করলে সেই পর্দাটিই খুলবে।
প্রতিটি ছক চলতি মাসের তথ্য নিয়ে নিজে থেকেই তৈরি হয়। এখানে কেবল ধরনগুলো দেওয়া হলো — সংখ্যা পোর্টালে ঢুকলেই দেখা যাবে।
নির্বাহী সারসংক্ষেপের ছক, এনার্জি ব্যালান্স ও প্রেরণের নথি — সবই এক জায়গায়।
পাঁচটি পর্দাই একই ডাটাবেজ পড়ে; কার কী দরকার সেই অনুযায়ী আলাদা। ক্লিক করলে সেটি খুলবে।
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড — কেবল দেখা ও প্রেরণ