প্রস্তাবিত সমাধান · আইটি বাংলা লিমিটেড

এমআইএস কোর বিলিং থেকে আলাদা — তথ্য এক, পর্দা ভিন্ন

নির্বাহী সারসংক্ষেপের ২৬টি ছক, এনার্জি ব্যালান্স, সিস্টেম লস, রাজস্ব ও বকেয়া — সবই কোর বিলিংয়ের একই ডাটাবেজ থেকে পড়া হয়। এখানে কেউ তথ্য বদলাতে পারেন না, কেবল দেখা ও প্রেরণ করা যায়।

বিজ্ঞপ্তি ও তথ্য সর্বশেষ হালনাগাদ ১১ জানুয়ারি ২০২৬
  • ১১জানু
    নির্বাহী সারসংক্ষেপ প্রেরিতজানুয়ারি’২৬-এর সম্পূর্ণ প্রতিবেদন বিদ্যুৎ বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহে পাঠানো হয়েছে
  • ১৫ফেব্রু
    পরবর্তী চক্রফেব্রুয়ারি মাসের ছক তৈরি হবে বিল চক্র বন্ধ হওয়ার পর
  • ২৯ফেব্রু
    বিদ্যমান ট্যারিফবাল্ক ও রিটেইল ট্যারিফ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ হতে কার্যকর
ছক তৈরির সময় ও তথ্যের কাট-অফ প্রতিটি পাতার পাদটীকায় থাকে
MIS

কাজের ধরন

কোর বিলিংএকই উৎসএনার্জি ব্যালান্স২৬টি নির্ধারিত ছকবিদ্যুৎ বিভাগেপরের মাসের ১১ তারিখ

সব ছক একই ডাটাবেজ থেকে পড়া হয়, তাই বিলিং, রাজস্ব ও এমআইএসের সংখ্যা আর আলাদা হয় না। পরের মাসের ১১ তারিখে নির্বাহী সারসংক্ষেপ নিজে থেকেই প্রেরিত হয়।

কেন পৃথক পোর্টাল

যে সমস্যাগুলোর সমাধান প্রয়োজন

প্রতিবেদন তৈরির কাজ এখন বিলিং দপ্তরের ঘাড়ে — প্রতি মাসে হাতে হাতে ছক বানাতে হয়।

ছক তৈরিতে দিন চলে যায়

১৪টি সার্কেল ও ৪টি অঞ্চল থেকে আলাদা করে তথ্য চেয়ে এনে হাতে যোগ করে নির্বাহী সারসংক্ষেপ বানাতে হয়। পরের মাসের ১১ তারিখের সময়সীমা প্রায়ই রক্ষা করা যায় না।

সংখ্যা এক জায়গায় মেলে না

বিলিং শাখার হিসাব, রাজস্ব শাখার হিসাব ও এমআইএসের ছকে একই মাসের সংখ্যা ভিন্ন হয়ে যায়, কারণ প্রত্যেকে নিজের মতো করে হিসাব রাখেন।

বিলিং পর্দা ভারী হয়ে যায়

যিনি বিল তৈরি করেন তাঁর প্রতিবেদনের ছক দরকার নেই, আর যিনি প্রতিবেদন দেখেন তাঁর বিল সংশোধনের অধিকার থাকা উচিত নয়।

প্রেরণের নথি থাকে না

কোন ছক কবে কাকে পাঠানো হয়েছিল, কে অনুমোদন দিয়েছিলেন — কাগুজে ব্যবস্থায় তা পরে খুঁজে বের করা কঠিন।

প্রস্তাবিত ব্যবস্থা

ছয়টি পর্দা, একটি উৎস

ক্লিক করলে সেই পর্দাটিই খুলবে।

ছকের পরিধি

নির্বাহী সারসংক্ষেপে কী কী থাকে

প্রতিটি ছক চলতি মাসের তথ্য নিয়ে নিজে থেকেই তৈরি হয়। এখানে কেবল ধরনগুলো দেওয়া হলো — সংখ্যা পোর্টালে ঢুকলেই দেখা যাবে।

প্রতিবেদন দেখা শুরু করুন

নির্বাহী সারসংক্ষেপের ছক, এনার্জি ব্যালান্স ও প্রেরণের নথি — সবই এক জায়গায়।

অন্যান্য পর্দা

একই ব্যবস্থার বাকি অংশ

পাঁচটি পর্দাই একই ডাটাবেজ পড়ে; কার কী দরকার সেই অনুযায়ী আলাদা। ক্লিক করলে সেটি খুলবে।

LinkBill EBS IT Bangla Ltd. আইটি বাংলা লিমিটেড৩২ তোফখানা রোড, চট্টগ্রাম সমিতি ভবন, পল্টন, ঢাকা–১০০০ · info@itbangla.org
উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণে আইটি বাংলা লিমিটেড
BPDB

এমআইএস ও প্রতিবেদন পোর্টাল

বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড — কেবল দেখা ও প্রেরণ

পরপর কয়েকবার ভুল হলে অ্যাকাউন্ট লক হয়ে যায়।
LinkBill EBSIT Bangla Ltd.

অনুমোদিত ব্যবহারকারী ছাড়া প্রবেশ নিষিদ্ধ · সকল কার্যক্রম অডিট ট্রেইলে সংরক্ষিত
বাতিল করতে Esc চাপুন বা বাইরে ক্লিক করুন
BPDB
এমআইএস ও প্রতিবেদনBPDB · MIS

মাসভিত্তিক কমার্শিয়াল অপারেশন

শক্তি আমদানি, বিক্রয়, সিস্টেম লস ও বিলকৃত অর্থ

অঞ্চলভিত্তিক সিস্টেম লস

আমদানি বনাম বিক্রয়

সিস্টেম লসের প্রবণতা

তিন অর্থবছর

বিচ্ছিন্নকরণ বিবরণী

জানুয়ারি ২০২৬

রিপোর্ট লাইব্রেরি

নির্বাহী সারসংক্ষেপের নির্ধারিত ছক — প্যারামিটার বদলে যেকোনোটি তৈরি করা যায়
সারিতে ক্লিক করলে ছকটি খুলে যায় — প্রিন্ট বোতামে পিডিএফ/কাগজে ছাপা যায়। সব ছক একই ডাটাবেজ থেকে পড়া হয়, তাই বিলিং, রাজস্ব ও এমআইএসের সংখ্যা আর আলাদা হয় না। ছক তৈরির সময় ও তথ্যের কাট-অফ প্রতিটি পাতার পাদটীকায় বসে।

অঞ্চলভিত্তিক কমার্শিয়াল অপারেশন

চলতি ও গত অর্থবছরের তুলনা
এনার্জি ব্যালান্স এখন অঞ্চল পর্যায়ে। ফিডার পর্যায়ে চালু হলে কোন ফিডারে লস কত তা আলাদা করে দেখা যাবে এবং চুরি বা কারিগরি লস আলাদা করা সহজ হবে।

ট্যারিফ শ্রেণিভিত্তিক চিত্র

গ্রাহক সংখ্যা, বিক্রীত শক্তি ও আদায়
আবাসিক গ্রাহক সংখ্যায় সবচেয়ে বেশি হলেও প্রতি ইউনিট আদায় কম। বাণিজ্যিক ও শিল্প শ্রেণিতে গ্রাহক কম, কিন্তু রাজস্বে অবদান বেশি — বকেয়া আদায়ে অগ্রাধিকার ঠিক করার সময় এই চিত্রটি কাজে লাগে।

শ্রেণিভিত্তিক অংশ

গ্রাহক · বিক্রয় · আদায়

স্বয়ংক্রিয় প্রেরণ

নির্ধারিত সময়ে · কোর বিলিং এডমিনে নির্ধারিত
নির্ধারিত তারিখে ছক নিজে থেকেই তৈরি হয়ে প্রাপকের কাছে যায় এবং প্রেরণের নথি সংরক্ষিত থাকে — কবে, কোন সংস্করণ, কাকে পাঠানো হলো। তালিকা বদলাতে হলে কোর বিলিংয়ের প্রশাসন মডিউলে যেতে হয়।

প্রেরণের নথি

সাম্প্রতিক

তথ্যের উৎস ও কাট-অফ

কোন সংখ্যা কোথা থেকে আসে
এই পোর্টাল কোনো তথ্য তৈরি বা সংশোধন করে না। প্রতিটি সংখ্যা কোর বিলিংয়ের সংশ্লিষ্ট মডিউল থেকে পড়া হয়। কোনো সংখ্যা ভুল মনে হলে উৎস মডিউলে সংশোধন করতে হবে — এখানে বদলানোর সুযোগ নেই, ফলে ছক আর মূল হিসাব কখনো আলাদা হয় না।